কৃষকদের পরিশ্রমের ফলে উৎপাদিত হয় ফসল। যেমন চাল, গম শষ্য প্রভৃতি। যাহা দেশের চাহিদা মিটিয়ে আবার রপ্তানি করা হচ্ছে বর্হিবিশ্বে, সুনাম অর্জন করছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি সময়ে বাংলাদেশ থেকে শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়ার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশে চাউল রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছে । দেশের চাহিদা মিটিয়ে বর্তমান চাউল রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি রোল মডেল। যাহার কৃতিত্ব বাংলার সাধারণ কৃষকের । কৃষকেরা দিনরাত হাড়ভাঙা-পরিশ্রম, চেষ্টার ফলে উৎপাদিত হচ্ছে ফসল।
তেমনি বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠি আবাদী ফসলের অন্যতম উপর্যুক্ত স্থান সলুয়া অঞ্চল। অত্র জনপদের বেশির ভাগ কৃষকেরা মনের আনন্দে বর্ষা মৌসুমে ফসল ফলানোর জন্য উদগ্রীব থাকে। কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমে চারা রোপনের জন্য দুঃচিন্তা প্রয়োজন পড়ে না। তার কারণ, পর্যাপ্ত পরিমান পানি থাকে জমিতে চাষাবাদের জন্য উপর্যুক্ত করে তুলতে সময় লাগে কম। কৃষকেরা ভোরের সূর্য ওঠার পূর্বে সাতসকালে বের হয় মাঠে ফসল ফলানোর উদ্দেশ্য। দৈনিক কামলা খেটে কৃষকেরা মজুরী পায় ২৫০ টাকা। যুব সমাজের কিছু অংশ বর্তমানে কৃষি ফসল উৎপাদনের প্রতি মোহ বেশী।
এবার বিরামহীন বৃষ্টিপাতের কারণে যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার ১নং ফুলসারা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। বিশেষ করে সলুয়ার এড়োলের বিলের পানি জেগে উঠায় নিন্ম অঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় রোপা আমন, সবজি সহ অধিকাংশ ফসলের ক্ষেত ,পুকুর, খাল-বিল পানিতে তলিয়ে গেছে। বসতবাড়ি-ঘর ও সড়কের উপরে পানি উঠে যাওয়ায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি বেড়েছে ।
হঠাৎ বিরামহীনভাবে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মানুষের মুখে হাসি নেই । অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় জেগে উঠা মাঠের সেই ফসল ও খাল-বিল আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে। গ্রামগঞ্জের নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া শত শত মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বৃষ্টির পানি নিস্কাশন না হওয়ায় জনজীবনে চরম র্দূভোগ বাড়ছে। দুঃখ-দুর্দশা সীমা না থাকায় কৃষকেরা ডুবে যাওয়া রোপা আমনের বাঁচিয়ে তোলায় কৃষকের প্রাণপন চেষ্টা অব্যহত।
