সলুয়া গ্রামের আক্তারুজ্জামান আতার উন্নত চিকিৎসার সাহায্যের প্রয়োজন



গভীর রাতে আত্বনাত- যন্ত্রনায় কাতর পরিবারে সবার ঘুম কেড়ে নিয়েছে অনেক দিন আগে। কোথা থেকে কি হয়ে গেল শুধু দুঃচিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায়। তার ভাষায় “আমি দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলে একমাত্র সোনার সংসারে ফুটফুটে দুটো বাচ্চা অসহায় হয়ে যাবে” দেখার কেহ থাকবে না। আওয়ামী প্রেমী মানুষটি নিতান্তই দেশ তথা শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কথা সমাজে মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে স্বদা প্রস্তুত থাকতেন। মিটিং-মিছিল, সমাবেশ, জনসভায় উপস্থিতি হওয়ার জন্য অসম্ভব আবেগ বুকে ধারন করে লালন-পালন করতেন যে মানুষ, সেই মানুষটি আজ অসহায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন।


মানবতার কাছে জীবন কতটা অসহায় তাহা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদ্বয় এগিয়ে আসলে আরও কিছু দিন বেঁচে থাকার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে সলুয়া গ্রামের আক্তারুজ্জামান আতা। গত ৫/৬ বছর দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে নিজের পা দুটো হারাতে বসেছিল- আল্লাহর রহমতে তিনি অনেক দুঃখ কষ্ট করে এক পা চিকিৎসা করে তুললেও ডান পা সুস্থ করতে পারেনি আজও । এক পর্যায়ে তার পায়ে কয়েক দফা বড় ধরনের অপারেশন করেন। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না করালে যাহা হয়। পায়ের ক্ষত এমন এক পর্যায় দাড়িয়েছে যে, পায়ের পীড়া শরীরের মেরুদন্ডের দিকে ধাবিত করেছে। দীর্ঘদিন এভাবে পড়ে থাকায় মহামারী আকার ধারন করেছে।

 এতদিন অর্থের অভাবে যথাযথ সু-চিকিৎসা নিতে পারেননি। অনেক সময় পরিবারের সংসার চালাতে গিয়ে নিজের ঔষধ পর্যন্ত কিনতে পারেননি। তবুও অন্যের কাছে কখনও দ্বারস্থ হয়নি। আজ নিজের চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বাবার দেওয়া বসতভিটা টুকু ছাড়া আর ‍কিছুই নাই বললে চলে, পরিবার সমাজকে দুঃখ কষ্ট বুঝতে দেননি এই মানুষটি। মা-বাবা হারিয়েছে অনেক আগে। বাবার বড় সংসারে অনেক ছোট থেকেই হাল ধরেছিলেন। গোটা পরিবারকে নিজ হাতে দেখাশোনা করেছেন। আবার কখনও কখনও ধার-দেনা করে বাবার সংসারে নিজ হাতে সংসার জীবন চালিয়েছেন। অর্থের অভাবে এনজিও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ক্ষুদ্র লোন নিয়ে সংসার জীবন চালায়। কিন্তু এমন ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে নিজের জীবনের সহায় সম্বলটুকু  বলে কিছু আর কিছু থাকল না। একদিকে এনজিও লোনের টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ অপরদিকে নিজের চিকিৎসা খরচ চালাতে অসহায়।


এমতবস্থায় পরিবার সংসার জীবন চালাতে গিয়ে মানুষের কাছে সাহায্যে প্রার্থনা ছাড়া তার আর কোন বিকল্প পথ থাকল না। এমনি এক মুহুর্তে অসহায় মানুষটির পাশে দাড়িয়েছে  সলুয়া গ্রামের তরুণ প্রজন্মের একঝাক যুবক। তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদ্বয়ের প্রতি সদয় নিবেদন জানিয়েছেন তার সাহায্যের জন্য । সলুয়া গ্রামের দেশে ও প্রবাসে যারা বসবাস করছেন সকলের প্রতি আহবান জানায় অসহায় আতার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।  এই পরিমান অর্থ যোগাড়  করা তার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব। তাই আতার চিকিৎসার জন্য  ডাচ বাংলা ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন।

বিকাশ নম্বরঃ- ০১৭৬১-৫০৫৫০৯

Previous
Next Post »